মেনু নির্বাচন করুন
খবর

বাজার সংক্রান্ত যেকোন সমস্যা সমাধানে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর বদ্ধ পরিকর। বাজার সংক্রান্ত আপনার যেকোন সমস্যায় ০১৫৫৩৫১২৯৭১ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ করা যাচ্ছে।

পটভূমি

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস 

বিপণন ব্যবস্থা অর্থনৈতিক উন্নয়নের সকল পর্যায়ে একটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে। বিপণন বিবেচনা শুরু হয় উৎপাদন সিদ্ধান্ত এবং উৎপাদন প্রযুক্তি নির্ধারণের  আগেই। সুতরাং, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করা এবং বর্ধিত উৎপাদন বজায় রাখার ক্ষেত্রে বিপণনের ভুমিকা অনস্বীকার্য। 

১৯৩৪ সাল থেকে ...

  • ১৯৩৪ সালে কৃষি বিপণন উপদেষ্টা বিপণন বিভাগ তৈরি করার জন্য তৎকালীন সরকারের কাছে একটি পরিকল্পনা জমা দেন। সরকার প্রকল্পটি গ্রহণ করে এবং ১৯৩৫ সালে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক বিপণন কর্মী নিয়োগ করে। 
  • বিপণনের গুরুত্ব ও সম্ভাবনা বুঝতে পেরে অবিভক্ত বাংলার সরকার ১৯৪৩ সালে স্থায়ী ভিত্তিতে কৃষি ও শিল্প অধিদপ্তরের অধীনে কৃষি বিপণন বিভাগ গঠন করে. 
  • স্বাধীনতার পর ১৯৫৪ সালে, পূর্ব পাকিস্তান সরকার কৃষি, সমবায় এবং ত্রাণ অধিদপ্তরের অধীনে কৃষি বিপণন পরিদপ্তরের অনুমোদন দেয়।  
  • ১৯৬০ সালে, প্রাদেশিক পুর্ণগঠন কমিটি কৃষি বিপণন পরিদপ্তরের বিভাগ, জেলা  এবং মহুকমা পর্যায়ে লোকবল নিয়োগের অনুমোদন দেয়। 
  • ১৯৮২ সালে, বাংলাদেশ সরকার ব্রিগেডিয়ার এনামুল হক খানের নেতৃত্বে গঠিত সাংগঠনিক কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে/বিভাগ পুনর্গঠন করে। তখন, কৃষি বিপণন পরিদপ্তরের গুরুত্ব, অবস্থা, এবং কর্মপরিধি বিবেচনা করে এর নাম মর্যাদা উন্নত করে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর করা হয়।  
  • কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমঃ-

  • সকল কৃষি পণ্যের কৃষকপ্রাপ্ত বাজার দর, পাইকারী ও খুচরা বাজারদর সরবরাহ চলাচল ও মজুদের তথ্য দৈনিক ও সাপ্তাহিক ভিত্তিতে সংগ্রহকরা েএবং বুলেটিনের মাধ্যমে তা বেতার ও দৈনিক পত্রিকায়কৃষক ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য প্রচার করা।
  • কৃষি পণ্যের বাজার দর নিয়মিতভাবে মনিটরিং করা এবং বাজার দরের হ্রাস-বৃদ্ধির কারণ চিহ্নিত করে তা স্থিতিশীল করার জন্য সরকারকে পরামর্শ প্রদান করা।
  • ব্যবসায়ী এবং পরিবহণ সংস্থার সহযোগিতায় কৃষিপণ্য বিশেষ করে পচনশীল কৃষিপণ্য উদ্বৃত্ত এলাকা হতে ঘাটতি এলাকায় প্রেরণের জন্য সংগঠিত করা।
  • কৃষকদের উৎপাদিত পন্য নতুন/নিবিড় উৎপাদন এলাকায় পরিবহণ এবং বিক্রয়ের জন্য সংগঠিত করা।
  • ১৯৬৪ সালের (১৯৮৫ সালে সংশোধিত) কৃষিপণ্য  বাজার নিয়ন্ত্রণ আইনের যথাযথ বাস্থবায়ন করা।
  • কৃষিপণ্যের সুষ্ঠু বিপণন ব্যয় ,ব্যবসায়ীদের লভ্যাংশ ইত্যাদি বিষয় গবেষণা/সমীক্ষা পরিচালনার মাধ্যমে বিপণন সমস্যা চিহ্নিত করা এবং বিপণন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও বিপণন ব্যয় হ্রাসের পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য পরামর্শ  প্রদান করা।
  • দেশের গুরুত্বপূর্ণ কৃষিপণ্যের বাজারসমূহের পর্যাপ্ত আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত বাজার অবকাঠামো নির্মান করা।
  • চামড়া রপ্তানীর মাধ্যমে পর্যাপ্ত/কাক্ষিত  বৈদেশিক আয়ের জন্য চামড়া ছাড়ানো শোধন এবং সংরক্ষনের ক্ষেত্রে সম্প্রসারণ কার্য ক্রম জোড়দার করা।
  • কৃষিপণ্যের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধা রণ, ফসল সংগ্রহ এবং প্রধান প্রধান ফসল সরকার কর্তৃ ক সংগ্রহ মূল্য সার্পোট প্রাইজ) , আমদানী ও রপ্তানী নীতি নির্ধারনে সরকারকে পরামর্শ প্রদান করা।
  • কৃষি পণ্যের আর্ন্তজাতিক বাজারদর পরিবীক্ষন করা  এবং আমদানী ও রপ্তানী নীতি প্রণয়নে ও পরিমার্জনে সহায়তা করা।

ছবি


ফাইল


প্রকাশনের তারিখ

২০১৮-০৩-২৭

আর্কাইভ তারিখ

২০১৮-০৯-৩০


Share with :

Facebook Twitter